ডেফোডিল কম্পিউটার্সের ফ্যাক্টরী চালুর আগাম খবর ফাঁস

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ডেফোডিল কম্পিউটার্সের শেয়ার নিয়ে চলছে রহস্য। শেয়ার দর কয়েকগুণ বৃদ্ধি পাওয়ায় উঠেছে কোম্পানির বিরুদ্ধে নানা অভিযোগও। তবে বাজারে ফাঁস হয়েছে আগাম তথ্য। নির্ভরযোগ্য সূত্র বলছে, শিগগিরই কোম্পানির ফ্যাক্টরী চালু করা হবে এমন মূল্য সংবেদনশীল তথ্য বাজারে ছড়িয়ে পড়ায় তৈরি হচ্ছে শেয়ার সংকট।

জানা যায়, ডেফোডিল কম্পিউটার্স ঋণ পরিশোধ করা জন্য ৩ কোটি ২৬ লাখ ৯০ হাজার শেয়ার প্রতিটি ১৫ টাকায় ক্রিয়েটিভ ইন্টারন্যাশনালকে ইস্যু করার আবেদন করে। যদিও কমিশন বলেছে, এই মুহূর্ত্বে তাদের অনুমোদন দেওয়া সম্ভব নয়। তবে এটির একটি প্রভাব বাজারে রয়েছে বলে জানা গেছে।

এদিকে দর বৃদ্ধির কারণ জানতে স্টক এক্সচেঞ্জ থেকেও একাধিকবার দেওয়া হয়েছে নোটিশ। কিন্ত জবাবে কোম্পানি বলছে, কোন কারণ নেই।

তবে কেন বাড়ছে ডেফোডিলের শেয়ার দর সেই কারণ অনুসন্ধানে জানা যায়, বাজারে ডেফোডিল কম্পিউটার্স নিয়ে বেশকিছু মূল্য সংবেদনশীল তথ্য ছড়ানো হয়েছে। কোম্পানির ফ্যাক্টরী স্থাপনের দু’বছর হলেও সরকারের সবুজ সংকেত না পাওয়ায় এতোদিন এটি উদ্বোধন করা হয়নি। তবে শিগগিরই গাজীপুরের কালিয়াকৈরে করা হবে ফ্যাক্টরী উদ্বোধন। এতে দেশেই তৈরি হবে আন্তর্জাতিক মানের পণ্য। আর কোম্পানির আয় বাড়বে বহুগুন। এই খবরে ছড়িয়ে যাওয়ার পর বাজারে তৈরি হয় শেয়ার সংকট। যে কারণে দরও হু হু করে বৃদ্ধি পায়।

এ ব্যাপারে ডেফোডিল কম্পিউটার্সের সচিব মনির হোসেন জানান, সরকারের কর সুবিধা না পাওয়ার কারণে এতোদিন ফ্যাক্টরী চালু করা সম্ভব হয়নি। কারণ বাইরের দেশের পণ্য যে দরে পাওয়া যায়, তাতে কর সুবিধা না পেলে দেশে ল্যাপটপ থেকে শুরু করে ডিজিটাল পণ্যগুলো উৎপাদন করা সম্ভব নয়। তবে সরকার যেহেতু আগেই ওয়াদাবদ্ধ ছিলো ,তাই তারা এই সুবিধা চালু করলেই আমরা ফ্যাক্টরী উদ্বোধন করতে পারবো।

এদিকে ডেফোডিল কম্পিউটার্স গেল বছর দেয়নি ডিভিডেন্ড। যে কারণে এ বছর ডিভিডেন্ড দিতে না পারলে নেমে আসবে জেড ক্যাটাগরিতে। তবে সর্বশেষ তিন প্রান্তিকে কোম্পানিটির ইপিএস ইতিবাচক এসেছে। তাই ক্যাটাগরি টিকিয়ে রাখতে তাদের বাধ্যতামূলকভাবে দিতে হবে ডিভিডেন্ড।