পশ্চিমবঙ্গের ছোট পর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী ঐন্দ্রিলা শর্মা মারা গেছেন। আজ রোববার দুপুরে কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে মারা যান তিনি। তাঁর বয়স হয়েছিল ২৪ বছর।
মাঝখানে অবস্থার কিছুটা উন্নতি হয়েছিল। চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, ঐন্দ্রিলার অবস্থা স্থিতিশীল। কিন্তু ১৭ নভেম্বর জানা যায়, রক্তচাপ ওঠানামা করছে অভিনেত্রীর। সংক্রমণের জন্য কড়া কড়া ওষুধও চলছে। বৃহস্পতিবার রাত থেকেই ঐন্দ্রিলার শরীর পুরো অসাড়।
গত রাতে ১০ বার হৃদ্রোগে আক্রান্ত হয়েছেন বলে জানা গেছে। অভিনেত্রীর শারীরিক অবস্থা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন চিকিৎসকেরা। জানিয়েছিলেন অভিনেত্রীর শারীরিক অবস্থার দ্রুত অবনতি ঘটছে। অবশেষে ২০ দিনের লড়াই শেষে চলে গেলেন ঐন্দ্রিলা।
ভেন্টিলেশন সাপোর্টেই ছিলেন অভিনেত্রী। সিপিআর দেওয়া হয়েছিল। অন্য হাসপাতাল থেকে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক এনে পরামর্শ নেওয়া হয়। কিন্তু চিকিৎসকদের নানা ধরনের চেষ্টার পরও না ফেরার দেশে চলে গেলেন তিনি।
গত ১ নভেম্বর থেকে হাসপাতালে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছিলেন অভিনেত্রী ঐন্দ্রিলা। এ দিন প্রথমে তার ব্রেন স্ট্রোক হয়। এরপর তাকে হাওড়ার একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। রাখা হয় ভেন্টিলেশনে।
গত ১৪ নভেম্বর (সোমবার) থেকে ঐন্দ্রিলার শারীরিক অবস্থার অবনতি হতে থাকে। বার বার হৃদ্যন্ত্র বন্ধ হয়ে যাচ্ছিল তার। এই ধাক্কা আর সামলাতে না পেরে হাসপাতালেই প্রয়াত হলেন ঐন্দ্রিলা।
ঐন্দ্রিলার এই যুদ্ধে জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত যিনি পাশে ছিলেন, তিনি প্রেমিক সব্যসাচী। এই জুটির রূপকথার গল্পে কলকাতার গণমাধ্যম আনন্দবাজার বলছে এভাবে, সূচনা ২০১৭ সালে। ঐন্দ্রিলার প্রথম ধারাবাহিক ‘ঝুমুর’ এর সেটে প্রথম দেখা। তবে সেই দেখাতেই যে তারা একে অপরকে মন দিয়ে ফেলেছিলেন, তা নয়। ধীরে ধীরে ফোনে কথাবার্তা শুরু তারপর ভালবাসা।
সব্যসাচীকে পাশে রেখেই এই ঐন্দ্রিলা দ্বিতীয়বার ক্যানসার জয় করেছেন। এবারের ১৯ দিনের লড়াইয়েও সবসময় পাশে ছিলেন।